QR কোড তৈরির সরঞ্জাম
কোনো লিঙ্ক, WiFi নেটওয়ার্ক, যোগাযোগ কার্ড বা বার্তার জন্য QR কোড তৈরি করুন।
কোডে যা রাখতে চান তা লিখুন, লেখার সঙ্গে সঙ্গেই কোড আঁকা হয়। সবকিছু আপনার ব্রাউজারেই ঘটে, তাই আপনার লেখা কিছুই কোথাও পাঠানো হয় না। পর্দার জন্য PNG বা ছাপার জন্য SVG যেকোনো মাপে ডাউনলোড করুন, অ্যাকাউন্ট ছাড়াই এবং জলছাপ ছাড়াই। কোনো নির্দিষ্ট নেটওয়ার্কের প্রোফাইলের জন্য সামাজিক মাধ্যমের QR কোড তৈরির সরঞ্জাম আপনার হয়ে ঠিকানাটি তৈরি করে দেয়।
QR কোড কী
QR কোড সাদা ও কালো ঘরের একটি বর্গাকার জালিতে লেখা জমা রাখে। বারকোড এক সারি দাগে প্রায় 20টি অক্ষর ধরে, আর QR কোড হাজার হাজার অক্ষর ধরে এবং যেকোনো দিক থেকে পড়া যায়। ভেতরের লেখা যেকোনো কিছু হতে পারে: কোনো ওয়েব ঠিকানা, ফোন নম্বর, কোনো WiFi নেটওয়ার্কের তথ্য। স্ক্যান করলে কী ঘটবে তা নির্ভর করে সেই লেখা কোন গঠনে সাজানো, আর উপরের ধরনগুলো আপনার হয়ে সেই গঠনই ঠিক করে দেয়।
স্থির কোড এবং তার অর্থ
বিষয়বস্তু নকশার ভেতরেই থাকে। কোড আর যিনি স্ক্যান করছেন তাঁর মাঝে কোনো সার্ভার নেই, তাই এটি ইন্টারনেট ছাড়াই কাজ করে, চালিয়ে রাখতে কোনো খরচ লাগে না, আর মেয়াদও কখনো ফুরায় না। বিনিময়ে, তৈরি হয়ে গেলে এটি আর বদলানো যায় না। ঠিকানা ভুল হলে বা WiFi-এর পাসওয়ার্ড বদলে গেলে ছাপা পুরোনো কোডটি পুরোনো তথ্যের দিকেই নির্দেশ করতে থাকে এবং সেটি বদলাতে হয়। ছাপা কোডটি রেখেই পরে গন্তব্য বদলাতে চাইলে, সেটিকে আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকা কোনো সংক্ষিপ্ত লিঙ্কের দিকে নির্দেশ করুন এবং লিঙ্কটিই বদলান। sona.to-এর লিঙ্ক শর্টনার ঠিক সেটাই করে।
PNG নাকি SVG
PNG পিক্সেলের একটি নির্দিষ্ট জালি, তাই অন্তত যত বড় মাপে ব্যবহার করবেন ততটাই বেছে নিন। SVG ভেক্টর: ভিজিটিং কার্ড থেকে দোকানের সাইনবোর্ড পর্যন্ত যেকোনো মাপে ঝকঝকে থাকে, আর ছাপাখানা এই বিন্যাসটিই চাইবে।
রং ও পার্থক্য
স্ক্যানার হালকা পটভূমির উপর গাঢ় ঘর খোঁজে। নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করে কেবল এই সংমিশ্রণটিই। দুই রঙের মধ্যে পার্থক্য কম হলে, কিংবা গাঢ় পটভূমিতে হালকা কোড হলে, পর্দায় ঠিকঠাক দেখালেও অনেক যন্ত্রে তা পড়া যায় না। রং বেছে নেওয়ার সময়ই পার্থক্য যাচাই করা হয় এবং তা বেশি কমে গেলে সতর্ক করা হয়।
ছাপানো
মাপ নির্ভর করে দূরত্বের উপর এবং কোডে কত তথ্য আছে তার উপর। মোটামুটি নিয়ম হলো, স্ক্যান করার প্রতি দশ একক দূরত্বের জন্য এক একক কোডের প্রস্থ। অর্থাৎ দুই মিটার দূর থেকে পড়া কোডের বাহু প্রায় 20cm হওয়া দরকার। তথ্য বাড়লে ঘরের সংখ্যা বাড়ে, আর একই বাস্তব মাপে বেশি ঘর মানে প্রতিটি ঘর ছোট, যা ক্যামেরার পক্ষে আলাদা করা কঠিন। কোডের চারপাশের ফাঁকা জায়গা খালি রাখুন, কারণ স্ক্যানার ওই ফাঁকা জায়গা দেখেই কোডের প্রান্ত খুঁজে নেয়।
কোড যখন স্ক্যান হয় না
সচরাচর কারণগুলো, ক্রম অনুসারে: তথ্যের পরিমাণের তুলনায় খুব ছোট করে ছাপা, দুই রঙের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য না থাকা, প্রান্তে ফাঁকা জায়গা না রাখা, কোড বেঁকে বা টেনে বিকৃত হওয়া, কিংবা পৃষ্ঠতল চকচকে হওয়া। বড় আকারে ছাপার আগে পর্দায় নয়, আসল উপকরণে আসল মাপে ফোনের ক্যামেরা দিয়ে পরখ করুন।
- ব্রাউজারে একটি ওয়েব ঠিকানা খোলে।
- লেখাটি পর্দায় দেখায়। এতে কোনো লিঙ্ক থাকে না, তাই ফোন যা পারে তাই দেয়, সাধারণত কপি করার সুযোগ বা ওয়েবে খোঁজা।
- একটি নেটওয়ার্কে যুক্ত করে। ফোন নাম, পাসওয়ার্ড ও নিরাপত্তার ধরন পড়ে নিয়ে যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয়।
- একটি যোগাযোগ কার্ড সংরক্ষণ করে। নাম, প্রতিষ্ঠান, ফোন, ইমেল ও ওয়েবসাইট সরাসরি ঠিকানা তালিকায় চলে যায়।
- ঠিকানা, বিষয় ও বার্তা আগে থেকেই পূরণ করা অবস্থায় মেল অ্যাপ খোলে, পাঠানোর জন্য প্রস্তুত।
- নম্বর ও বার্তা পূরণ করা অবস্থায় বার্তা অ্যাপ খোলে। দীর্ঘ বার্তা কয়েক ভাগে পৌঁছাতে পারে।
- নম্বর বসানো অবস্থায় ডায়াল পর্দা খোলে। নিজে থেকে কল করে না।
- ফোনের মানচিত্র অ্যাপে জায়গাটি খোলে।